ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একাডেমিক-প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে গোবিপ্রবি উপাচার্যের নানা পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৮-১৫ ২০:১৯:০৫
একাডেমিক-প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে গোবিপ্রবি উপাচার্যের নানা পদক্ষেপ একাডেমিক-প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে গোবিপ্রবি উপাচার্যের নানা পদক্ষেপ
রান্নু, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি


গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) একাডেমিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। সেশনজট নিরসন, শিক্ষক সংকট দূরীকরণ, স্থায়ী অডিটোরিয়ামের বিকল্প ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ১৯ জুলাই উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজটমুক্ত করতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন উপাচার্য।


এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগে সমন্বিতভাবে ক্লাস, পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একাডেমিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের সেশনজটের সমস্যা অনেকটাই দূর করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকট নিরসনেও উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে পর্যাপ্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী অডিটোরিয়াম না থাকায় বিভিন্ন সভা, সেমিনার, কর্মশালা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রশাসনকে।


সমস্যা সমাধানে স্পেস বরাদ্দ কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন উপাচার্য। বৈঠকের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাময়িকভাবে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে স্থায়ী অডিটোরিয়ামের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ১৫০ আসনবিশিষ্ট একটি অডিটোরিয়াম নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য। এছাড়া প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতেও নির্দেশনা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। কোনো ফাইল যেনো অযথা কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের টেবিলে পড়ে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ফাইল নিষ্পত্তি এবং প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্টেট দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একাডেমিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা গতিশীলতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সেশনজটমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ